দোকান ও শোরুম — সেক্টর সার্ভিস
দোকান ও শোরুম ওয়াটার ট্যাংক ক্লিনিং
দোকান ও শোরুম-এর জন্য পেশাদার ওয়াটার ট্যাংক ক্লিনিং — দ্রুত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য। পুরো ট্যাংক খালি, ঘষে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করে তলানি, শ্যাওলা ও ব্যাকটেরিয়া দূর — নিরাপদ পানীয় জল।
প্রায় ৩ ঘণ্টাসন্তুষ্টি গ্যারান্টি

দোকান ও শোরুম-এর জন্য ওয়াটার ট্যাংক ক্লিনিং কেন গুরুত্বপূর্ণ
ঢাকার বেশিরভাগ বাসায় ছাদ ও আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংকে কয়েক দিন পানি জমা থাকে। তলানি, মরিচা, শ্যাওলা ও ব্যাকটেরিয়া ভেতরে জমে — পানিতে গন্ধ বা পেটের সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত টের পাওয়া যায় না। পেশাদার ক্লিনিংয়ে পানীয় ও রান্নার পানি আবার নিরাপদ হয়।
ওয়াটার ট্যাংক ক্লিনিং — যা যা অন্তর্ভুক্ত
- সম্পূর্ণ পানি খালি — পুরনো পানি ও তলানি পরিষ্কার
- দেয়াল ও মেঝে ঘষা — শ্যাওলা, পিচ্ছিলতা ও মরিচা দূর
- প্রতিটি কোণা হাই-প্রেশারে ধোয়া
- ফুড-গ্রেড ডিসইনফেক্ট্যান্ট ট্রিটমেন্ট
- ইনলেট, আউটলেট ও ওভারফ্লো পাইপ পরীক্ষা
- আবার পানি ভরা ও চূড়ান্ত মান যাচাই
ওয়াটার ট্যাংক ক্লিনিং সম্পর্কে বিস্তারিত
সাধারণত কাজটি এভাবে এগোয়:
- 1
সম্পূর্ণ পানি খালি — পুরনো পানি ও তলানি পরিষ্কার
- 2
দেয়াল ও মেঝে ঘষা — শ্যাওলা, পিচ্ছিলতা ও মরিচা দূর
- 3
প্রতিটি কোণা হাই-প্রেশারে ধোয়া
- 4
ফুড-গ্রেড ডিসইনফেক্ট্যান্ট ট্রিটমেন্ট
- 5
ইনলেট, আউটলেট ও ওভারফ্লো পাইপ পরীক্ষা
- 6
আবার পানি ভরা ও চূড়ান্ত মান যাচাই
সাধারণ প্রশ্নের উত্তর
প্রতি ৩–৬ মাসে একবার ভালো; নতুন বাসায় ওঠার আগে বা পানিতে গন্ধ/ঘোলাভাব থাকলে তখনই।
দোকান ও শোরুম-এর গ্রাহকরা যা বলছেন
“আমাদের নতুন ফ্ল্যাটে ওঠার আগে সাফাই ডট এক্সওয়াইজেড-কে দিয়ে ফুল ডিপ ক্লিনিং করিয়েছিলাম। ফ্লোর স্ক্রাবিং এবং কিচেন ক্লিনিং দারুণ হয়েছে। টিম খুব ভদ্র ও দায়িত্বশীল।”
“হোয়াটসঅ্যাপে নক দেওয়ার সাথে সাথে রেসপন্স পেয়েছিলাম। সোফায় লেগে থাকা কড়া কফির দাগ একদম ম্যাজিকের মতো দূর করে দিয়েছে। গন্ধও দারুণ।”
“বাথরুমের টাইলস আর শাওয়ার গ্লাসে আয়রনের কড়া হলুদ দাগ বসে গিয়েছিল। সাফাইয়ের কর্মীরা কোনো অ্যাসিড ছাড়া স্পেশাল লিকুইড দিয়ে নতুনের মতো পরিষ্কার করেছে।”

